
পাবলিক ভার্সিটিগুলোতে ছেলেমেয়ে একসাথে ইফতার করতে দেখা হয়। শুধু পাবলিক না অন্যান্য ভার্সিটি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও হয় তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বেগানা নারী পুরুষরা একসাথে মিশে ইফতার পার্টি করে৷ তাদের মধ্যে কেউ বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড কেউবা মেয়ে-ছেলে বেস্টফ্রেন্ড কেউবা ছেলে-মেয়ে জাস্ট ফ্রেন্ড। আবার কেউ নন-মাহরাম(যাদের সামনে পর্দা ফরজ) ভাই-বোন। এখন যে ফ্রেন্ডই হোক আর যে ভাই-বোন হোক না কেন; নন-মাহরাম মানেই সবাই সবার জন্য হারাম।
ইফতার অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় আর এই সময় বান্দার দু'আ কবুল হয়। আর এই সময় হারামে লিপ্ত থেকে অর্থাৎ যিনায় লিপ্ত অবস্থায় তারা ইফতার করে।
আপনার সিয়াম আল্লাহর নিকট কতটা গ্রহণযোগ্য ভেবে দেখবেন। যে মন্দ কাজ ত্যাগ করতে পারে না তার পানাহার পরিত্যাগ আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।
‘যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও তদনুযায়ী আমল করা বর্জন করেনি, তার এই পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’[১]
এতো কষ্ট করে সারাদিন না খেয়ে থাকলেন আর ইফতারের সময় হারাম অবস্থায় থেকে খাদ্য গ্রহণ করলেন। মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতো অবস্থা। ফলাফল শূন্য।
ইফতার করুন সমস্যা নেই!
তবে ছেলে ছেলে বন্ধু এবং মেয়ে মেয়ে বান্ধুবী বা ছেলে ছেলে ভাই বা মেয়ে মেয়ে বোন কিংবা মাহরাম ছেলে মেয়ে করুন।
ফ্রি মিক্সিং হারাম। হারামকে হারাম মনে না করা যেমন অন্যায় তেমনি হারাম জেনোও তাতে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে লিপ্ত থাকাও অন্যায়।
ছেলেরা মেয়ে বন্ধু পরিহার করুন আর মেয়েরা ছেলে বন্ধু।
এই মাসে যদি নিজেকে গুনাহ থেকে মুক্ত নাই করতে পারেন উল্টো গুনাহে লিপ্ত থাকেন তাহলে আপনার জন্য আফসোস ছাড়া আর কি থাকতে পারে।
রোজা রেখেও যে আপনি যে সেই ধ্বংসশীল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না যারা রমজান মাসেও আল্লাহর নিকট থেকে ক্ষমা আদায় করে নিতে পারে; তার কি গ্যারান্টি আছে আপনার?
ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবু তার গুনাহ মাফ হলো না।[২]
১.[সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৩]
২.[সহীহ মুসলিম ২৫৫১ তিরমিজি ৩৫৪৫]